দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদেরসেবা দেওয়া  চিকিৎসক-নার্সদের খালিমুখে ধন্যবাদ নয়, পুরস্কৃতও করতে চাই : বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদেরসেবা দেওয়া  চিকিৎসক-নার্সদের খালিমুখে ধন্যবাদ নয়, পুরস্কৃতও করতে চাই : বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা, ০৭ এপ্রিল ২০২০ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট):  আজ মঙ্গলবার গণভবন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সব জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছেন সেই সব চিকিৎসক, সেবিকা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকার বিশেষভাবে পুরস্কৃত করতে চাই। ‘তাদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। যাদেরকে পুরস্কৃত করবো তাদের তালিকাটা আমার দরকার। তাদের উৎসাহ দেওয়া আমাদের প্রয়োজন। তবে যারা ভয়ে পালিয়ে ছিলেন তারা প্রণোদনা পাবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় আমাদের সরকারি চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, যারা করোনা সেবায় অবদান রেখেছেন তাদের সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা দেখেছি সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাই এগিয়ে এসেছে। তারা কোনো গাফলতি করেননি। নিজেদের ঝুঁকি নিয়েই তারা কাজ করেছে। এজন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তারা নিজের জীবন বাজি রেখে করোনায় আক্রান্তদের সেবা প্রদান করেছে। আমি মনে করি, যে আপনারা একটা বিরাট অবদান রেখে গেছেন।’

করোনার বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে, সেই যুদ্ধের সম্মুখভাগে থেকে চিকিৎসকরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি এ কাজে যারা সব সময় নিয়োজিত ছিলেন তাদেরকে শুধু খালিমুখে ধন্যবাদ দিবো না। আমি তাদেরকে কিছু পুরস্কৃতও করতে চাই। যেসব সরকারি চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্যকর্মীসহ যারা হাসপাতালগুলো কাজ করছে তাদের তালিকা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উৎসাহের সাথে সাথে আমি বিশেষ একটা সম্মানিও দিতে চাই। তাই তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছি। তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য, যারা প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থা করে দেবো। সেটা আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার অর্থ সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। কাজেই আমরা তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করছি।’

চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্তদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্বপালনকারী যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয় তাদের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা সরকার নেবে এবং তাদের জন্য স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা আমরা করে দেবো। যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের জন্য দশ লাখ টাকার একটা স্বাস্থ্যবিমা পদমর্যাদা অনুযায়ী করে দেবো।’

তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে যারা আক্রান্ত হয়েছেন, তারা যদি খোদা না করুক মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তাদের জন্য এই ভাতা পাঁচগুণ বৃদ্ধি করে দেবো। মনে রাখতে হবে, এটা তাদের জন্যই করবো। করোনা ভাইরাস শুরুর পর থেকে যারা কাজ করেছেন। অর্থাৎ জানুয়ারি মাস থেকে শুরু। মার্চ মাস থেকে ব্যাপকভাবে শুরু। এই মার্চ মাস থেকে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন এই প্রণোদনাটুকু তাদের জন্য।’

তবে যারা সুরক্ষা সামগ্রীর অভাবের অযুহাতে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে বিরত ছিল তাদের উদ্দেশেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেছেন, ‘যারা কাজ করেন নাই, নিজেদের সুরক্ষা করার জন্য পালিয়ে গেছেন, যেখানে রোগীরা দ্বারে দ্বারে ঘুরে চিকিৎসা পাননি, সাধারণ রোগীরা চিকিৎসা পায়নি। তাদের জন্য এই প্রণোদনা নয়। তারা এটা পাবেন না।’

তিনি বলেন, ‘কেউ যদি এখন মনে করেন, শর্ত দেন যে আমাদের দিলে আমরা আসবো, আমি বলবো সেটা দিতে হলে আগামীতে কীভাবে কাজ করেন, তাদের পর্যবেক্ষণে রাখবো, আগামী তিনমাস তাদের কাজ দেখবো সেখানে যদি কেউ সত্যিই মানুষের সেবা দেয়, তার পরে তাদের কথা আমরা চিন্তা করবো। কিন্তু শর্ত দিয়ে কাউকে আমি কাজে আনবো না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যাদের মধ্যে এই মানবতাবোধটুকু নেই, তাদের প্রণোদনা দিয়ে আনার কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি না। যদি দুর্দিন আছে প্রয়োজনে বাইরে থেকে আমরা ডাক্তার নিয়ে আসবো। বাইরে থেকে নার্স নিয়ে আসবো। কিন্তু এই ধরনের দুর্বল মানসিকতার লোক দিয়ে আমাদের কাজ হবে না। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। কাজেই তারা যতই মিটিং করুক আর শর্ত দিক, এই শর্তে আমার কিছু আসে যায় না। বরং ভবিষ্যতে তারা ডাক্তারি করতে পারবে কিনা সেটাই চিন্তার বিষয়।

ডাক্তার আমাদের প্রয়োজন আছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু এই মানসিকতা থাকবে কেন? মানবতাবোধ হারাবে কেন?’

রোগী দেখার জন্য নিজের সুরক্ষা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন রোগী কেন দ্বারে দ্বারে ঘুরে কেন মারা যাবে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কেন মারা যাবে? সে যেসব হাসপাতালে গিয়েছে, সেখানে কোন কোন ডাক্তারের দায়িত্ব ছিল আমি তাদের নাম জানতে চাই। কারণ ডাক্তারি করার মতো বা চাকরি করার মতো সক্ষমতা নাই। তাদের চাকরি থেকে বের করে দেওয়া উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT